রক্তিম শুভ্রের বিশ্বস্ত দরবারে এক সরণি...
উদিত সৌজিক লালীমায় তার অস্তাবধি সেলাম, এক যৌবনের রাজ্যপাটে এক যৌবনের উত্তরণ...
বীজ শ্রাবণে নিষ্কপর্দক ধূলিকণার শৃঙ্গে 'ধরণী' শেখর! কত সহস্র ঋতুর সীমান্তে এক ঋতুর পূর্ণ কায়া...! দুই জোড়া কর.. আর একতাল গঙ্গা-মাটি; সে কুমুদের দামিনী-ঝলক.. মৃৎশিল্পের আর্জি সহস্র বৈশাখী কুলুপ.. তরল গৃহীর ঝিমন্ত গৈরিক কাষ্ঠল দল স্খলিত সোর্য্যের অবগুণ্ঠন.. ছত্রাধিপতির বাড়ন্ত প্রস্ফুটন তন্তুর ভাজে বুনিয়াদী রেশমী বুনট... লালিমার পরতে সুপ্ত অদৃষ্ট গগনচুম্বী দেনা..... অকস্মাৎ ঝঞ্ঝা- ক্ষুব্ধ ছন্দে তর্কবাগীশ লুটেরা.. একাকী বৃন্ত-বঁাঁট... উহ্য ছাউনির শীয়রে চকমকি. সিক্ত তমস.. মণি-কাচ..অস্পৃশ্য অনাদুরে প্রতিফলিত ঋণের ফিরতি মকুব...! সুতলি ছেঁড়া কপর্দকহীন উদয় আজ ভরাটিয়া কপর্দকের মধ্যাহ্ন..... ঔরসের খড়ম-এ স্থিত ঋতুর নতি...
নবাহ্নের ঝুলি উপচনো ঐ দ্বিত্ব ঋণ...... ডুবন্ত পৃথিবী গুলোই গচ্ছিত করে একবুক ঋণের বেগানুভূতি!
লেখনী ©
No comments:
Post a Comment