সার্কাসে ও অনুষ্ঠান বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ভদ্রলোকটি
নিছকই পেটের দায়ে তবে নিষ্ঠার সাথে সকলকে আনন্দ দিয়ে যায়।খাবারের গুণগত মান ও ভদ্রলোকের নিন্দা করে
তৃপ্তির সাথে পান মসলা, সিগারেট সহযোগে সকলে বাড়ি ফিরে যায়।
কোনরূপ অনুগ্রহ নয়, বরং কিছুটা অনিচ্ছার সাথে গৃহকর্তা
পাড়ার সারমেয়দের ও ভদ্রলোকটিকে খাবার দিয়ে মহান হন।
বাড়ি পৌঁছে শাড়ির সেপটিপিন ও জুতোর ফিতে খুলতে খুলতে
এইরকম জোকারের উপস্থিতি বড়লোকি চাল বলে সকলে ধরে নেন।
খাটনির গুটিকয়েক টাকা ও গৃহস্বামীর কৃত্রিম আন্তরিকতা সরিয়ে রেখে
শত দারিদ্রেও ঘুমন্ত বাচ্চার দিকে তাকিয়ে তৃপ্তির ঘুমে ঢলে পড়েন ভদ্রলোক।
যতদিন হাতের আগ্নেয়াস্ত্র ও মুখে আবর্জনার মত বাক্য বিন্যাস ছিল,
ততদিন আর যাই হোক তিনি দরিদ্র ছিল না,
এমনকি বাড়িতে নিজে থেকে সব পৌঁছে যেত, কিছুই কিনতে হতো না।
খুকির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মনের রত্নাকরকে দমন করেন।
বাল্মিকী না হলেও সোজা পথে উপার্জনের খাতিরে,
ভৌগলিক মানচিত্র এবং চারিত্রিক মানের সামাজিক চিত্র পরিবর্তন করেন।
আজকাল মুখের কালী একটু বেশিই চড়ায়, কষ্ট ঢাকার জন্য।
তবুও এখনকার মুখের কালি আগের কালিমাময় মুখের থেকে অনেক ভালো
তাতে ক্ষমতা ও চরিত্রের দুর্ব্যবহার ছিল ঠিকই কিন্তু
বাচ্চার মুখের দিকে তাকিয়ে তৃপ্তি বা জীবনে শান্তি ছিল না।