Sunday, 11 July 2021

পরিবর্তন

 সার্কাসে ও অনুষ্ঠান বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ভদ্রলোকটি

নিছকই পেটের দায়ে তবে নিষ্ঠার সাথে সকলকে আনন্দ দিয়ে যায়।
খাবারের গুণগত মান ও ভদ্রলোকের নিন্দা করে
তৃপ্তির সাথে পান মসলা, সিগারেট সহযোগে সকলে বাড়ি ফিরে যায়।
কোনরূপ অনুগ্রহ নয়, বরং কিছুটা অনিচ্ছার সাথে গৃহকর্তা
পাড়ার সারমেয়দের ও ভদ্রলোকটিকে খাবার দিয়ে মহান হন।
বাড়ি পৌঁছে শাড়ির সেপটিপিন ও জুতোর ফিতে খুলতে খুলতে
এইরকম জোকারের উপস্থিতি বড়লোকি চাল বলে সকলে ধরে নেন।
খাটনির গুটিকয়েক টাকা ও গৃহস্বামীর কৃত্রিম আন্তরিকতা সরিয়ে রেখে
শত দারিদ্রেও ঘুমন্ত বাচ্চার দিকে তাকিয়ে তৃপ্তির ঘুমে ঢলে পড়েন ভদ্রলোক।

যতদিন হাতের আগ্নেয়াস্ত্র ও মুখে আবর্জনার মত বাক্য বিন্যাস ছিল,
ততদিন আর যাই হোক তিনি দরিদ্র ছিল না,
এমনকি বাড়িতে নিজে থেকে সব পৌঁছে যেত, কিছুই কিনতে হতো না।
খুকির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মনের রত্নাকরকে দমন করেন।
বাল্মিকী না হলেও সোজা পথে উপার্জনের খাতিরে,
ভৌগলিক মানচিত্র এবং চারিত্রিক মানের সামাজিক চিত্র পরিবর্তন করেন।
আজকাল মুখের কালী একটু বেশিই চড়ায়, কষ্ট ঢাকার জন্য।
তবুও এখনকার মুখের কালি আগের কালিমাময় মুখের থেকে অনেক ভালো
তাতে ক্ষমতা ও চরিত্রের দুর্ব্যবহার ছিল ঠিকই কিন্তু
বাচ্চার মুখের দিকে তাকিয়ে তৃপ্তি বা জীবনে শান্তি ছিল না।

Srupratik Shaha ©

মনকথা

 ॥জল ও এভারেক্ট। 37


তোমার খেয়ালে এক আগন্তুকের সুবাদ


তরল চন্দ্রিমার ধাবিত প্লাবন শোনিতে... অস্তিত্বের ত্রিমাত্রিকতায় ফেনিল 'তুমির' আবর্তন


ছিন্ন চামড়ায় তাৎক্ষণিক মরম পট্টির ভুলে..


তোমার বক্তৃতার অবলোকন সৌভাগ্য হারালো শাখা নদীর আয়তনে আরোহণের কোল ভেঙ্গে কোলে অবতরণের গল্প


সোজা ঘাড় আর শক্ত পায়ের উত্তরণে লুপ্ত আতিথেয়তা— সে সওয়ারি আমার বশীভূত হলনা! অদ্বিতীয়া হারালে শৃঙ্গ ললাটে থুবরে পড়া বাৎসল্য প্রভাতির জটিল অর্থের খোয়ানো বোধগম্যতা তরলের নামতা বেয়ে চক্রবৃদ্ধির গচ্ছিত চেতনা ‘জল এক্কে জল'- 'জল দুগুনে তটিনী'- 'জল তিনে সিন্ধু 'জল অসীমে প্রস্তর উক্ত পাঠ উদ্ধারের সমাপ্তি শেষ মেষ জলপথের দুলকিতে প্রত্যাগমের আর্জি কোনো প্রথম পুরুষ আজ গয়ার আরশিতে সিক্ত শুধুমধাম পুরুষের বুকে পূর্ব থেকে পশ্চিম পেলে আবার পাড়ি হবে লাল-সাদা মোহনায়.….….. এভারেস্ট-এর নগ্ন-চূড়া বিগলিত; শুলের উষ্মায়। নমুনায় শুধু জলের প্রমাণ তার জৈব-পরীক্ষাগারে!

লেখনী ©

মনে পড়ে যায় সেই হৃদয় দেবার তিথি দুজনার দুটি পথ মিশে গেল এক হয়ে নতুন পথের বাঁকে।

 মনে পড়ে যায় সেই মন দেওয়ার তিথি, আজও মনে আছে সব, ভুলতে পারিনি অনেক সময় গেছে বিতি । সেদিন ছিলো পূর্ণিমা রাত যেনো জ্যোৎস্না স্নাত প্ৰহেলিক...